Home রাজনীতি
Category:

রাজনীতি

ঢাকা: আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কোন পদ্ধতিতে হবে সেই বিষয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।

মঙ্গলবার ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম সামনে রেখে প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি এ কথা বলেন।

এনআইডি পাওয়া জন্য মানুষের উৎসাহ আছে,  কিন্তু ভোটের মাঠে কেন মানুষ যায় না— এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, এই প্রশ্নের উত্তর আমি দেব না। আমাদের দায়িত্ব ভোটার তালিকা প্রণয়ন করা। আমাদের কর্মীরা ভোটার তালিকা প্রণয়ন করতে মাঠে যাবে। আপনি যেই প্রশ্নটা করেছেন, সেই প্রশ্নের কোনো মন্তব্যই আমি করব না।

ইভিএম নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো মধ্যে যে আলোচনা হচ্ছে সেটি নিয়ে কী করবেন— এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, সেটি নিয়ে পত্রিকায় আসছে এবং আমাদের বক্তব্যগুলো আপনাদেরকে জানানো হয়েছে। নির্বাচন অনুষ্ঠান করার দায়িত্ব আমাদের। হয়তো আপনারা বলতে পারেন যে, প্রধানমন্ত্রী একটি বক্তব্য দিয়েছেন এবং বিভিন্ন জন থেকে বক্তব্য আসতে পারে। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন নাকি আওয়ামী লীগের সভানেত্রী বলেছেন বিষয়টি এখনও স্পষ্ট না। আওয়ামী লীগের সভানেত্রী বলা, বিএনপির প্রধান বলা, জাসদের আবদুর রব বলা এগুলো ভিন্ন জিনিস।

সিইসি বলেন, সব থেকে বড় কথা যেটি স্পষ্ট করে বলতে চাচ্ছি, অনেকে ইচ্ছা পোষণ করতে পারেন, সদিচ্ছা ব্যক্ত করতে পারেন আর ইভিএমে ভোট দেওয়ার বিষয়ে আমরা এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারিনি। ইতোমধ্যে আমরা নিজেরা অনেকগুলো সভা করেছি, আগামীতে আরও সভা হবে। তারপর সিদ্ধান্ত হবে আমাদের। ভোট স্বাধীনভাবে আমরা পরিচালনা করব যতদূর সম্ভব। এটা আমাদের এখতিয়ারভূক্ত, ভোটের পদ্ধতিও আমাদের এখতিয়ারভূক্ত।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সিদ্ধান্ত আমাদের ওপরই থাকবে। মতামত আমরা বিবেচনায় নিতে পারি। আপনিও মতামত দিতে পারেন, রাস্তায় কেউ মতামত দিতে পারেন, রাজনৈতিক দলগুলো মতামত দিতে পারবেন। আল্টিমেটলি আমরা পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেব ভোট কোন পদ্ধতি ও কেমন হবে। সেটি আমাদের বিষয়। এই বিষয়ে আমরা স্বাধীন।

এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, সব আসনে ইভিএমে ভোট করার মত এখন আমাদের সামর্থ্য নেই। ৩০০ আসনের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত আমরা এখনও নেইনি। ভোট ব্যালটে হবে না ইভিএমে, কতটি আসনে ইভিএমে হবে এই বিষয়ে কমিশন এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। এটি পর্যালোচনাধীন রয়েছে।

এর আগে প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশ নেওয়া কর্মকর্তাদের শুদ্ধ ও সিদ্ধভাবে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দিয়ে সিইসি বলেন, শুদ্ধ ও সঠিক ভোটার তালিকা ছাড়া প্রতিনিধিত্বমূলক সরকার গঠন সম্ভব নয়।

নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হুমায়ুন কবীরের সভাপতিত্বে প্রশিক্ষণ কর্মশালায় চার নির্বাচন কমিশনার, ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। যুগান্তর

0 comment
0 FacebookTwitterPinterestEmail

ঢাকাঃ তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আওয়ামী লীগ চায় সব দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন হোক। বিএনপির জন্ম পেছনের দরজা দিয়ে, তারপরও আমরা আশা করি, আগামী নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণ করবে।

রোববার দুপুরে রাজধানীতে সিরডাপ মিলনায়তনে মা দিবস উপলক্ষে ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল আয়োজিত ‘গরবিনী মা’ সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানের শুরুতে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় আওয়ামী লীগের গতকালের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকের বিষয়ে তথ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, বৈঠকে আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিয়মিতভাবেই দলের সম্মেলন হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন, সে লক্ষ্যে বিভিন্ন উপকমিটি গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। এবং তিনি বলেছেন, আমরা বিএনপিসহ সমস্ত রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন করতে চাই। নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের জন্য বিএনপির দাবির বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনের সময় নির্দলীয় সরকারের কোনো সম্ভাবনা নেই। পৃথিবীর গণতান্ত্রিক দেশ ভারত, ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়াসহ কন্টিনেন্টাল ইউরোপের বিভিন্ন দেশ এবং খোদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দিকে তাকান, সবখানে নির্বাচনের সময় বর্তমান সরকারই নির্বাচনকালীন সরকারের দায়িত্ব পালন করে।

তাছাড়া, নির্বাচন কখনো সরকারের অধীনে হয় না, নির্বাচন কমিশনের অধীনে হয় এবং নির্বাচনকালে সরকারের সবার চাকরি নির্বাচন কমিশনের হাতে ন্যাস্ত হয়। সুতরাং বিএনপিকে আসলে নির্বাচন ভীতি পেয়ে বসেছে। এই ভীতির ফলে তারা যে কেন স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও অংশগ্রহণ করলো না, সেটিই অনেকের প্রশ্ন। এসময় রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স-আরএসএফের প্রতিবেদনে মুক্ত গণমাধ্যম সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান আফগানিস্তানের নিচে দেখানোর বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, এটি একটি বিদ্বেষমূলক প্রতিবেদন। আফগানিস্তানে যেখানে টেলিভিশনে সংবাদ উপস্থাপনের কারণে নারী সাংবাদিককে গুলি করে হত্যা করা হয়, যেখানে সাংবাদিকরা কোনভাবেই কাজ করতে পারে না, সেই আফগানিস্তানের নিচে বাংলাদেশের অবস্থান দেওয়ার মাধ্যমে আরএসএফ নিজেরাই প্রমাণ করেছে যে, তারা বিদ্বেষপ্রসূত রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। সাম্প্রতিক রেলপথের ঘটনায় ‘রেলমন্ত্রী কথিত আত্মীয়দের চেনেন না’ এ বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে ড. হাছান বলেন, আমি মনে করি না যে মন্ত্রী মিথ্যা বলেছেন

আমার স্ত্রীর আত্মীয় সবাইকে আমি চিনি না, আমরা কেউই সব আত্মীয়কে চিনি না। পাশাপাশি আমি এটাও মনে করি যে, মন্ত্রী মহোদয়ের স্ত্রীর নির্দেশে কাউকে সাময়িক বরখাস্ত করা সমীচীন নয়। ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চেয়ারম্যান প্রীতি চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. আশীষ কুমার চক্রবর্তীর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সাবেক মুখ্য সচিব ড. কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী সম্মানিত অতিথি হিসেবে এবং সম্মাননাপ্রাপ্ত দশজন মায়ের সন্তানেরা বক্তব্য রাখেন।

 

গরবিনী মা হিসেবে নাদেরা বেগম, সাজেদা খাতুন, তাসকিনা ফারুক, জ্যোৎস্না রানী ধর, লুৎফা বেগম, আখতারা খানম, ঝর্ণা ঘোষ, সুরাইয়া চৌধুরী, শারমিন আকতার ও প্রতিমা রানী দাশের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। বিশ্ব মা দিবসে সকল মায়েদের প্রতি এবং বাবাদের প্রতিও শ্রদ্ধা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, একজন মা যেভাবে সন্তানকে মানুষ করার জন্য যে কষ্ট করে, সেটা অন্য কেউ করে না। মায়ের ভালোবাসার সাথে অন্য কিছুর তুলনা হয় না। একটি আলোকিত জাতি গঠন করতে আলোকিত মা প্রয়োজন। তিনি বলেন, আমাদের সরকার মা-বাবার ভরণপোষণের জন্য বিশেষ আইন করেছে। মা-বাবার ভরণপোষণ যদি না করা হয়, তাহলে এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করে আইন করা হয়েছে। সে আইনের সুযোগ নিয়ে মামলাও করেছে অনেকে। প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশেই এটি হয়েছে। মানব জমিন

0 comment
0 FacebookTwitterPinterestEmail

ঢাকাঃ সাবেক অর্থমন্ত্রী, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ভাষা সংগ্রামী আবুল মাল আবদুল মুহিত আর নেই। শুক্রবার (২৯ এপ্রিল ২০২২) দিবাগত রাত ১২টা ৫৬ মিনিটে বৃহত্তর সিলেটের এই কীর্তিমান পুরুষের জীবনবসান ঘটে (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাইহি রাজিউন)। তিনি ছিলেন একাধারে রাজনীতিবিদ, খ্যাতনামা অর্থনীতিবিদ, লেখক এবং ভাষাসৈনিক। ছিলেন রবীন্দ্র গবেষক। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর। দীর্ঘদিন ধরে তিনি বিভিন্ন ধরনের শারীরিক ও বার্ধক্যজনিত জটিলতায় ভুগছিলেন।

আবুল মাল আবদুল মুহিতের প্রথম জানাজা সকাল ১১টায় গুলশান আজাদ মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। সংসদ প্লাজায় সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের দ্বিতীয় জানাজার কর্মসূচি বাতিল করা হয়েছে। এরপর সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য তাঁর মরদেহ শহীদ মিনারে নেয়া হবে। এরপর দাফনের জন্য মরদেহ নেওয়া হবে জন্মস্থান সিলেটে।
বর্ণাঢ্য জীবন
আবুল মাল আবদুল মুহিত ১৯৩৪ সালের ২৫শে জানুয়ারি সিলেটে জন্মগ্রহণ করেন। তৎকালীন সিলেট জেলা মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা আবু আহমদ আবদুল হাফিজ ও সৈয়দা শাহার বানু চৌধুরীর ১৪ সন্তানের মধ্যে তৃতীয় সন্তান মুহিত

স্ত্রী সৈয়দা সাবিয়া মুহিত একজন ডিজাইনার। তিন সন্তানের মধ্যে কন্যা সামিনা মুহিত ব্যাংকার ও আর্থিক খাতের বিশেষজ্ঞ। বড় ছেলে সাহেদ মুহিত বাস্তুকলাবিদ এবং ছোট ছেলে সামির মুহিত শিক্ষক।

যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে উচ্চতর ডিগ্রি নেওয়া আবদুল মুহিত বরাবরই একজন মেধাবী মানুষ ছিলেন। ১৯৫৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতক (সম্মান) পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করেন তিনি। পরের বছর একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। এর আগে অংশ নেন ভাষা আন্দোলনে। ছাত্রজীবনে সলিমুল্লাহ হল ছাত্র সংসদের ভিপি নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি।

১৯৫৬ সালে আবদুল মুহিত যোগ দেন পাকিস্তান সিভিল সার্ভিসে (সিএসপি)। সিএসপিতে যোগ দিয়ে তিনি ওয়াশিংটন দূতাবাসে পাকিস্তানের কূটনীতিকের দায়িত্ব নেন এবং মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালের জুনে পাকিস্তানের পক্ষ ত্যাগ করেন। ওই সময় তিনি বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন করেন এবং যুক্তরাষ্ট্রে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।সিএসপি হওয়ার পর মুহিত তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান, কেন্দ্রীয় পাকিস্তান ও পরে বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। স্বাধীনতার পর দেশে ফিরে তিনি পরিকল্পনাসচিব হন। এর আগে পাকিস্তান পরিকল্পনা কমিশনের উপসচিব থাকাকালে পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে বৈষম্যের ওপর ১৯৬৬ সালে একটি প্রতিবেদন তৈরি করেছিলেন তিনি। পাকিস্তান জাতীয় পরিষদে এটিই ছিল এ বিষয়ে প্রথম প্রতিবেদন।
বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ), ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংক (আইডিবি) ও জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থায় তিনি পরিচিত ব্যক্তি ছিলেন। ১৯৭২-৭৩ সালে বাংলাদেশ বিশ্বব্যাংকের সদস্য হলে সেপ্টেম্বরে মুহিত হন বিশ্বব্যাংকে বাংলাদেশের পক্ষে ভারত, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা গ্রুপের বিকল্প নির্বাহী পরিচালক।

১৯৭৭-৮১ পর্যন্ত অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব ছিলেন তিনি এবং ১৯৮১ সালে স্বেচ্ছায় সরকারি চাকরি ছেড়ে দেন। ১৯৮২ সালে ২৪ মার্চ এইচ এম এরশাদ ক্ষমতা দখল করলে তাঁকে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী করার প্রস্তাব দিলে তিনি শর্ত সাপেক্ষে রাজি হন। শর্তটি ছিল নির্দলীয় সরকার গঠন করে জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে।
এরশাদ কথা না রাখলে দুই বছরের মাথায় মন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগ করেন মুহিত। এরপর তিনি বিশ্বব্যাংক ও জাতিসংঘের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করেন। তিনি বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। সরকার তাঁকে ২০১৬ সালে স্বাধীনতা পদকে ভূষিত করে। স্বাধীনতাযুদ্ধে অনন্য ভূমিকা রাখার স্বীকৃতি হিসেবে তা দেওয়া হয়। মুক্তিযুদ্ধ, জনপ্রশাসন, অর্থনীতি ও রাজনৈতিক বিষয়ে মুহিত বই লিখেছেন ৪০টি।
অর্থমন্ত্রী হিসেবে আবুল মাল আবদুল মুহিত এ পর্যন্ত ১২টি বাজেট উপস্থাপন করেছেন, যার ১০টি আওয়ামী লীগ সরকার আমলের।

0 comment
0 FacebookTwitterPinterestEmail

ঢাকা: বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান, সাবেক মন্ত্রী ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রথম মেয়র অধ্যাপক এম এ মান্নান আর নেই।

বৃহস্পতিবার (২৮ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৪টায় রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন তিনি। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তার বয়স হয়েছিল ৭২ বছর।

এর আগে বুধবার (২৭ এপ্রিল) দিবাগত রাতে হাসপাতালে ভর্তির পর তাকে লাইফ সাপোর্ট দেয়া হয়। তিনি দীর্ঘদিন ধরে নানান রোগে ভুগছিলেন।

গাজীপুর সিটি করপোরেশন মেয়র থাকাকালে ২০১৫ সালে নিজ বাসা থেকে গ্রেফতার হন এম এ মান্নান। ২০১৭ সালে আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পান তিনি।

১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে তৎকালীন মন্ত্রিসভায় ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান এম এ মান্নান। পরবর্তীকালে নবগঠিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

২০১৩ সালে গাজীপুর সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠিত হলে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে গাজীপুরের প্রথম সিটি মেয়র নির্বাচিত হন মান্নান।

0 comment
0 FacebookTwitterPinterestEmail

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সাথে তুরস্কের রাষ্ট্রদূত ও উপ-রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

তুরস্কের রাষ্ট্রদূত মোস্তফা ওসমান তুরান এবং উপ-রাষ্ট্রদূত কামাল বুরাক তেমজিল বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন।

রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন তারা।

বিষয়টি নয়া দিগন্তকে নিশ্চিত করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং কর্মকর্তা শায়রুল কবির খান।

তিনি বলেন, তুরস্কের রাষ্ট্রদূত মোস্তফা ওসমান তুরান ও উপ-রাষ্ট্রদূত কামাল বুরাক তেমজিল বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। এরপর তারা বিএনপি মহাসচিবের সাথে বৈঠক করেন। বৈঠকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ উপস্থিত ছিলেন। নয়া দিগন্ত

0 comment
0 FacebookTwitterPinterestEmail
ঢাকা: আল্লাহর জমিনে দ্বীন প্রতিষ্ঠার ধারাবাহিক আন্দোলনের নির্ভিক সংগ্রামী সিপাহসালার খেলাফত মজলিসের সাবেক নায়েবে আমীর, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিসের প্রতিষ্ঠাকালীন কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা মুহাম্মদ শফিক উদ্দিন রহ. এর চিরবিদায়ের এক বছর অতিক্রম হচ্ছে আজ- ৩ এপ্রিল। করোনাকালীন পরিস্থিতিতে গত বছর (২০২১) ৩ এপ্রিল রাত ২টায় রাজধানীর ইবনে সিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুর আগে প্রায় ২ সপ্তাহ যাবৎ তিনি প্রথমে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ^বিদ্যালয় ও পরে ইবনে সিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর সংবাদে সংগঠনের সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও আলেম সমাজ ও ইসলামী অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে আসে। মৃত্যুর খবরে ব্যথিত সবাই। সকাল বেলা তাকে শেষ বারের মত দেখতে ও জানজায় মরীক হতে সেগুন বাগিচায় ছুটে আসেন দেশের প্রায় সকল ইসলামী দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা। ৩ এপ্রিল সকাল ১০টায় সেগুনবাগিচা জামে মসজিদে জানাজা শেষে মরহুমের লাশ দাফনের উদ্দেশ্যে তাঁর গ্রামের বাড়ী সুনামগঞ্জের ছাতকে নিয়ে যাওয়া হয় এবং জন্মস্থান ছাতক উপজেলার গোবিন্দগঞ্জের দিঘলবাগে পারিবারিক গোরস্তানে চির নিদ্রায় শায়িত হন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৯ বছর। তিনি স্ত্রী, ২ ছেলে ১ মেয়ে রেখে যান।
বাংলাদেশে ইসলাম প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের অগ্রগতিতে এবং খেলাফত প্রতিষ্ঠাল লক্ষ্যে উলামায়ে কেরাম ও দ্বীনদার বুদ্ধিজীবিদের সমন্বিত ধারা সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন মাওলানা মুহাম্মদ শফিক উদ্দিন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিসের প্রতিষ্ঠাকালীন কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন। হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ছিলেন। রাজপথের বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে তিনি সদা সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। তিনি ছাত্রজীবন থেকে শুরু করে মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত বাংলাদেশে খেলাফত প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে সক্রীয় ভূমিকা পালন করেন। বাংলাদেশে ইসলাম প্রতিষ্ঠার ধারাবাহিক আন্দোলনের একজন সক্রিয় ও যোগ্য নেতা, রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামের বলিষ্ঠ কন্ঠস্বর ছিলেন মাওলানা মুহাম্মদ শফিক উদ্দিন।
মাওলানা মুহাম্মদ শফিক উদ্দিন ১৯৬২ সালের ১ মার্চ হাওর অধ্যুষিত সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার দিগলবাগ গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম হাফিজ আবদুল কাইউম। পিতা-মাতার ৪র্থ সন্তান মুহাম্মদ শফিক উদ্দিন স্থানীয় শিবনগর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষা জীবন শুরু করেন। পরে স্থানীয় সৎপুর মাদ্রাসা থেকে দাখিল ও আলীম পাশ করেন ও সিলেট আলীয়া মাদ্রাসা থেকে কামিল পাশ করেন। এরপর সিলেট এমসি কলেজে অধ্যয়ন করেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে মাস্টার ডিগ্রি অর্জন করেন।
তিনি স্কুল জীবন থেকেই ইসলামী সংগঠনের কাজে সক্রীয় ভূমিকা রাখেন। ছাত্র সংগঠনে থাকা অবস্থায় সুনামগঞ্জ জেলা, সিলেট জেলা ও কেন্দ্রীয় সংগঠনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বিশেষকরে ১৯৮৯ সালে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিসের প্রতিষ্ঠাকালীন কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন মাওলানা মুহাম্মদ শফিক উদ্দিন। ছাত্র জীবন শেষে তিনি খেলাফত মজলিসের ঢাকা মহানগরীর সভাপতি ও পরে ২০০৫-২০২০ সাল পর্যন্ত খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সিনিয়র যুগ্মমহাসচিবের দায়িত্ব পালন করেন এবং সর্বশেষ ২০২১ সালে খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমীর নির্বাচিত হন। তিনি হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সাবেক কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ছিলেন। দেশের বহু শীর্ষ আলেম যেমন হযরত হাফিজ্জি হুজুর রহ. থেকে শুরু করে শায়খুল হাদীস আল্লামা আজীজুল হক রহ., মাওলানা আবদুল গাফফার রহ.-সহ সর্বশেষ আল্লামা শাহ আহমদ শফি রহ. ও আল্লামা জোনায়েদ বাবুনগরী রহ. পর্যন্ত এদেশের অনেক শীর্ষ উলামাদের সাথে বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের জীবনে তিনি জেল-জুলুম নির্যাতনের শিকার হন।তিনি ছিলেন একজন সাহসী সংগ্রামী।
মাওলানা মুহাম্মদ শফিক উদ্দিন একজন স্পষ্টবাদী মানুষ ছিলেন। নিয়ম-শৃঙ্খলা সংরক্ষণে বিশেষকরে সাংগঠনিক পরিবেশ সংরক্ষণে তিনি অত্যন্ত কঠোর ছিলেন। যেকোন সংকটকালে, সংকট উত্তরণে তিনি দূরদর্শী ও বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেছেন।
মাওলানা মুহাম্মদ শফিক উদ্দিন পেশাগত জীবনে একজন সফল ব্যবসায়ী ছিলেন। তিনি বার্ড ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলেস এর অন্যতম সত্ত¡াধারী ছিলেন। তিনি ছাতকের নিজ এলাকায় বিভিন্ন উন্নয়ন ও সমাজসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেন। পেশাগত ও সাংগঠনিক কারণে তিনি সৌদি আবর, ইরান, যুক্তরাজ্য, সংযুক্ত আরব আমীরাত, মালয়েশিয়া, পাকিস্তান, ভারতসহ বহু দেশ ভ্রমণ করেন।
আল্লাহ তায়ালা মরহুম মাওলানা মুহাম্মদ শফিক উদ্দিনকে জান্নাতের সুউচ্চ মাকাম দান করুন। তাঁর আজীবন লালিত স্বপ্ন-আল্লাহর জমিনে দ্বীন প্রতিষ্ঠার আন্দোলন পৌঁছুক কাঙ্খিত মঞ্জিলে। আমীন।
– অধ্যাপক মোঃ আবদুল জলিল
0 comment
0 FacebookTwitterPinterestEmail
মাহে রমজানের পবিত্রতা রক্ষার দাবীতে রাজধানীতে খেলাফত মজলিসের মিছিল
ঢাকা, ১ এপ্রিল ২০২২: খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের বলেছেন, মাহে রমজানের পবিত্রতা রক্ষায় নিত্যপয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। সকল নিত্যপণ্যের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে নিয়ে আসতে হবে। অশ্লীলতা বেহায়াপনা, মদ, জুয়া, ঘুষ-দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে। দিনের বেলায় প্রকাশ্যে পানাহার পরিহার করতে হবে। রমজান মাসে ট্রাফিক জ্যাম বন্ধে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস সরবরাহ নির্বিঘœ করতে হবে। আসন্ন মাহে রমজানের পবিত্রতা রক্ষার দাবীতে খেলাফত মজলিস ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের মিছিল পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
আজ ১ এপ্রিল শুকবার সকাল সাড়ে ১১টায় রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সভাপতি অধ্যাপক মাওলানা আজীজুল হকের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক তাওহিদুল ইসলাম তুহিনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সংগঠনের নায়েবে আমীর মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন সংগঠনের যুগ্মমহাসচিব ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সল, অধ্যাপক মো: আবদুল জলিল। ছাত্র মজলিসের সেক্রেটারী জেনারেল বিলাল আহমদ চৌধুরী, শ্রমিক মজলিসের সহসভাপতি আমীর আলী হাওলাদার, মুফতি মাইনুদ্দিন, এডভোকেট এনায়েত রাব্বী প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন শ্রমিক মজলিস সভাপতি হাজী নূর হোসেন, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহসভাপতি মোঃ জহিরুল ইসলাম, হাফেজ মাওলানা নূরুল হক, মুহাম্মদ জিল্লুর রহমান, সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবুল হোসেন, এইচএম হুমায়ুন কবির আজাদ, কাজী আরিফুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ফারুক আহমদ ভূঁইয়া প্রমুখ। মাহে রমজান উপলকে।ষ রচিত সঙ্গীত পরিবশন করে দাবানল শিল্পীগোষ্ঠীর সদস্যবৃন্দ।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে নায়েবে আমীর মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী বলেন, দ্রব্যম্যূল্যের উদ্ধগতিতে জনগণের নাভিশ্বআস উঠেছে। মাহে রমাজানে রোজাদারদের কষ্ট হয়, রোজার পবিত্র নষ্ট হয়- এ ধরনের সকল কর্মকান্ড বন্ধ করতে হবে।
সমাবেশ শেষে এক বিক্ষোভ মিছিল জাতীয় প্রেসক্লাব থেকে শুরু হয়ে কদম ফোয়ারা, পল্টন মোড় হয়ে বিজয়নগর পানির ট্যাঙ্কির সামনে এসে শেষ হয়।
0 comment
0 FacebookTwitterPinterestEmail
ঢাকা: খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের বলেছেন, জনগণের জন্য সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সমাজিক সুবিচার নিশ্চিতের মাধ্যমে লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতাকে সুসংহত করতে হবে। সিন্ডিকেট আর কারসাজির কারণে নিত্যপণ্যেল দাম বেড়েই চলছে। দ্রব্যমূল্যের উর্দ্ধগতিতে জনগণ দিশেহারা। দ্রব্যমূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে নিয়ে আসতে হবে। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় জুলুম, অন্যায়, অবিচার, ঘুষ-দুর্নীতি, বেকারত্ব মুক্ত দেশ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে খেলাফত মজলিস ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
আজ বিকাল ৩টায় বিজয়নগরস্থ মজলিস মিলনায়তনে সংগঠনের ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সভাপতি অধ্যাপক মাওলানা আজীজুল হকের সভাপতিত্বে ও সহসাধারণ সম্পাদক মোঃ আবুল হোসেনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত আলাচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সংগঠনের যুগ্মমহাসচিব অধ্যাপক মো: আবদুল জলিল।
অন্যান্যের মধ্যে আলোচনা পেশ করেন ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহসভাপতি মোঃ জহিরুল ইসলাম, মুহাম্মদ জিল্লুর রহমান, কাজী আরিফুর রহমান, নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া, কবি খালেদ সানোয়ার, ছাত্র মজলিস নেতা নূর মুহাম্মদ, মোঃ মশিউর রহমান, মুফতি আবদুল্লাহ আল মাসুম, মাওলানা শরীফ উদ্দিন প্রমুখ।
আলোচনা শেষে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদানদের জন্য ও দেশ-জাতির কল্যাণ কামনায় দোয়া- মোনাজাত পরিচালনা করেন মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের। এর আগে ভোরবেলা খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
0 comment
0 FacebookTwitterPinterestEmail

ঢাকা: সরকারের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এখনো সময় আছে নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য নিরপেক্ষ সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করুন, অন্যথায় পালানোর পথ খুঁজে পাবেন না।

শনিবার বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের সড়কে মহান স্বাধীনতা দিবসের শোভাযাত্রার উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, স্বাধীনতার এই শোভাযাত্রার মাধ্যমে সরকারের কাছে এই বার্তা যাচ্ছে যে, তোমার দিন শেষ, জনগণের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের কাছে ক্ষমতা ছাড়ো। অন্যথায় সকল স্বৈরাচারীদের যে পরিণতি হয়েছে তোমারও তাই হবে।

মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে লাখো শহীদের আত্মত্যাগ এবং মা-বোনের সম্ভ্রমহানির বিষয়টিও তুলে ধরেন বিএনপি মহাসচিব।

দলীয় প্রধান বেগম খালেদা জিয়াকে প্রথম নারী মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে আখ্যা দিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ১৯৭১ সালে চট্টগ্রামে মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রাণিত করেছিলেন। নয় মাস কারাবরণ করেছেন আমাদের নেত্রী। তিনি এর মাধ্যমে প্রথম নারী মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে আমাদের কাছে চিহ্নিত হয়েছেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছরে আজ কথা বলার অধিকার নেই, গণতান্ত্রিক অধিকার নেই, জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করার অধিকার নেই, বিদ্যুৎ-গ্যাসসহ সকল নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির মূল্য লাগামহীন বেড়েছে।

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য রুখে দাঁড়াতে হবে উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, যদি বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হয়, তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনতে হয়, তাহলে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। সকল রাজনৈতিক দলকে ঐক্যবদ্ধ করে এই সরকারকে পরাজিত করতে হবে।

মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বিএনপি’র পক্ষ থেকে এ শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়। ঢাকা মহানগর বিএনপি দক্ষিণ ও উত্তর শাখা এর আয়োজন করে।

এতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনসহ বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনসমূহের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা অংশ নেন। নয়া পল্টন সড়ক থেকে শুরু হওয়া শোভাযাত্রাটি জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে শেষ হয়। নয়া দিগন্ত

0 comment
0 FacebookTwitterPinterestEmail

ঢাকা: রাজধানীর শাহজাহানপুরে আওয়ামী লীগ নেতা জাহিদুল ইসলাম টিপু হত্যাকাণ্ডের রহস্য শিগগিরই উদ্ঘাটন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

আজ শনিবার সকালে রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে তদন্ত চলছে। যারাই এ ঘটনায় জড়িত থাকুক, কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।’

তিনি বলেন, ‘আমরা অবশ্যই এর পেছনে কারা, নাটের গুরু কারা, কারা ঘটনা ঘটিয়েছে, সব কিছুই খোলসা করে আপনাদের জানিয়ে দেব।’

এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘পলিটিক্যাল কিলিংয়ের বিষয়ে আমরা এখনই কোনো মন্তব্য করতে চাই না। আমরা আশা করি, খুব শিগগিরই এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করতে পারব।’

এ সময় টিপু হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

0 comment
0 FacebookTwitterPinterestEmail