মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪

বিএনপি আন্দোলনের বারোটা বাজিয়ে শোকের মিছিল করছে: ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি আন্দোলনের বারোটা বাজিয়ে শোকের মিছিল করছে। বিএনপি কালো পতাকা নিয়ে শোকের মিছিল নামিয়েছে। বিএনপি কালো মিছিল করছে কেন? তাদের কোন নেতা মারা গেছে?
তিনি বলেন, আন্দোলনের পতাকা হলো লাল-সবুজ। স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীকের প্রতি তাদের কোনো দরদ নেই। যে মিছিলে জনগণ নেই সেই মিছিল গণমিছিল হয় কী করে? এবার আওয়ামী লীগ দেখাবে গণমিছিল কাকে বলে। 

শুক্রবার বিকালে ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত শান্তি সমাবেশে ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন। 

সেতুমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগের মিছিল মানে জনতার ঢল। আগামী ১ সেপ্টেম্বর লাখ লাখ তরুণদের সমাবেশ করবে আওয়ামী লীগ। শোকের কালো পতাকা নয়, বিজয়ের পতাকা হাতে লাখো তরুণের মিছিল দেখাবে আওয়ামী লীগ।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের মিছিল মানেই সারা শহরে মিছিল আর মিছিল। আপনারা মিছিল দেখবেন এক তারিখ এবং দুই তারিখে। আমরা বিজয়ের পতাকা নিয়ে মিছিল করব, বিএনপির মতো শোকের কালো পতাকা নিয়ে নয়। 

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি নেতাদের গলার জোর কমে গেছে, মিছিলের শক্তি নেই। তাদের আন্দোলনের মরা গাঙে ঢেউ আসে না। বিএনপির আন্দোলন গরুর হাটে ধ্বংস হয়েছে। সমাবেশের নামে পিকনিক পার্টি করে বিএনপি।

এ সময় সেতুমন্ত্রী দাবি করেন, যেখানে দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ শেখ হাসিনাকে চায়, সেখানে তাকে নামানোর (ক্ষমতাচ্যুত) দিবাস্বপ্ন দেখছে বিএনপি। মানুষ যাকে ভালবাসে তাকে বিএনপি ক্ষমতা থেকে বিদায় দেবে কী করে?

বিএনপি নিষেধাজ্ঞা ও ভিসানীতির আতঙ্ক ছড়ায়- মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, এ দেশ মুক্তিযোদ্ধাদের দেশ, কোনো অপশক্তিদের নয়। বিএনপির মতো দুর্নীতিবাজদের হাতে বাংলাদেশের ক্ষমতা নিরাপদ বলে মনে করি না আমরা। আওয়ামী লীগ ঐক্যবদ্ধ থাকলে আগামী নির্বাচনে বিজয় সুনিশ্চিত।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী। সঞ্চালনা করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির। 

এতে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল হোসেন ও কার্যনির্বাহী সদস্য সানজিদা খানম। যুগান্তর

আরো পড়ুন ...