Home Archives
Daily Archives

March 7, 2022

শিক্ষা ব্যবস্থায় ধর্মীয় শিক্ষা এবং বোর্ড পরীক্ষায় ইসলাম বিষয় বাদ দেওয়ার ষড়যন্ত্র মেনে নেওয়া হবে না।
মুহাম্মদ মনির হোসাইন
৬ মার্চ রবিবার, ইসলামী ছাত্র মজলিস ঢাকা মহানগরী আয়োজিত শিক্ষা ব্যবস্থায় ধর্মীয় শিক্ষা সংকচনের ষড়যন্ত্র এবং বোর্ড পরিক্ষায় ইসলাম বিষয় বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সভাপতি ইসমাঈল খন্দকারের সভাপতিত্বে ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সভাপতি আহসান আহমাদ খানের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মদ মনির হোসাইন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় সভাপতি বলেন, ধর্মীয় শিক্ষা মানুষের নৈতিকতা শিক্ষা দেয়, ভালো মন্দের পার্থক্য করার শিক্ষা দেয়, আজ যদি এ ধর্মীয় শিক্ষাটাও বন্ধ করে দেওয়া হয়, তবে এদেশের ছাত্র সমাজ নৈতিকতা থেকে অনেক দূরে সরে যাবে। কাজেই কোনভাবেই ধর্মীয় শিক্ষা বিষয় পরীক্ষা থেকে বাদ দেওয়া উচিত হবে না।
মানববন্ধনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক মুহাম্মদ আব্দুল জলিল, সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি এডভোকেট শায়খুল ইসলাম, সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল বিলাল আহমদ চৌধুরী, খেলাফত মজলিস ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সভাপতি অধ্যাপক মাওলানা আজিজুল হক, ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় বায়তুলমাল ও প্রচার সম্পাদক কে এম ইমরান হোসাইন, খেলাফত মজলিস ময়মনসিংহ মহানগরী সভাপতি এডভোকেট মাও:রফিকুল ইসলাম, সাবেক কেন্দ্রীয় বায়তুলমাল সম্পাদক মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দীন, শ্রমিক মজলিসের কেন্দ্রীয় প্রচার প্রকাশনা সম্পাদক খালেদ সানোয়ার,মহানগরী উত্তরের সাবেক সভাপতি মাওলানা আজিজ উল্লাহ আহমদী
উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি নূর মোহাম্মদ,উত্তরের সেক্রেটারি মুহাম্মদ আবু সালেহ,বায়তুলমাল ও প্রচার সম্পাদক মাহমুদুল হাসান রাসেল,দক্ষিণের বায়তুলমাল সম্পাদক মুহাম্মদ আব্দুল মতিন,উত্তরের অফিস প্রকাশনা সম্পাদক মাহমুদুল হাসান ত্বহা,আম্মার আল ফারাহ,মুশফিকুস সালেহীন,আবরার মাযহারী প্রমুখ।
0 comment
0 FacebookTwitterPinterestEmail

ঢাকাঃ অবশেষে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করল রাশিয়া। কিয়েভ, খারকিভ, মারিউপল ও সুমিতে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়েছে। চারটি শহরেই গত কয়েকদিন ধরে লাগাতার লড়াই চলছিল। বোমা ও গোলাবর্ষণ করছিল রাশিয়া।

বিভিন্ন মহল থেকে অভিযোগ করা হয়েছিল, সাধারণ মানুষকে পালানোর সুযোগটুকু পর্যন্ত দিচ্ছে না রাশিয়া। শুধু তা-ই নয়, সুমিতে এখনো আটকে আছে বহু শিক্ষার্থী, তার মধ্যে অনেক ভারতীয়ও আছে। ফলে ভারতের পক্ষ থেকেও রাশিয়াকে বার বার সেখানে ছাত্রছাত্রীদের জন্য সেফ প্যাসেজ তৈরি করে দেয়ার আবেদন জানানো হচ্ছিল। অবশেষে রাশিয়া তাতে সম্মত হলো। চারটি শহরেই যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়েছে। সাধারণ মানুষকে দ্রুত চলে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে।

ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী অবশ্য জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি শেষ হলেই রাশিয়া চূড়ান্ত শক্তি দিয়ে কিয়েভ আক্রমণ করবে বলে তারা আশঙ্কা করছে। তবে ইউক্রেনও তা প্রতিহত করার জন্য তৈরি বলে দাবি করা হয়েছে।

সোমবার মস্কো জানিয়েছে, রাশিয়ার সময় সকাল ১০টা থেকে সাময়িক যুদ্ধবিরতি পালন করা হবে। তার মধ্যে সাধারণ মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যেতে পারেন। বস্তুত, ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর অনুরোধ মেনেই এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলে রাশিয়ার সংবাদসংস্থা ইন্টারফ্যাক্স দাবি করেছে।

এর আগে শনিবারও যুদ্ধবিরতির কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু ইউক্রেনের দাবি, রাশিয়া তা পালন করেনি।

অন্যদিকে, এদিনই রাশিয়া ও ইউক্রেনের প্রতিনিধিদের আলোচনায় বসার কথা। এর আগেও তারা আলোচনায় বসেছিলেন কিন্তু বৈঠক ফলপ্রসূ হয়নি।

সূত্র : ডয়চে ভেলে

0 comment
0 FacebookTwitterPinterestEmail