Home Archives
Daily Archives

February 28, 2022

ঢাকা: ইউক্রেনে রুশ সৈন্য ঢোকার পঞ্চম দিনে দুই দেশের প্রতিনিধিদল যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে আলোচনা শুরু করেছে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের অফিস থেকে বলা হয়েছে তারা এই মুহূর্তে যুদ্ধ বিরতি এবং রুশ সৈন্য প্রত্যাহার চায়।

অন্যদিকে রুশ প্রতিনিধিদলের প্রধান প্রেসিডেন্ট পুতিনের উপদেষ্টা ভ্লাদিমির মেদিনস্কি বলছেন মস্কো এমন একটি বোঝাপড়া চায় যা দুই পক্ষের স্বার্থ রক্ষা করবে।

বৈঠক শুরু আগে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট যেলেনস্কি রুশ সৈন্যদের অস্ত্র নামিয়ে রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। একইসাথে তিনি ইউক্রেনকে দ্রুত সদস্যপদ দেওয়ার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতি অনুরোধ করেছেন।

0 comment
0 FacebookTwitterPinterestEmail

ঢাকা, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২: পবিত্র লাইলাতুল মেরাজ বা শবেমেরাজ আজ। লাইলাতুন বা শব অর্থ হলো- রাত আর মেরাজ অর্থ ঊর্ধ্বগমন। শবেমেরাজ বা লাইলাতুল মেরাজের অর্থ দাঁড়ায়- ঊর্ধ্বগমনের রাত।
ব্যাপক অর্থে রাসূল (সা:)-এর বায়তুল্লাহ শরিফ থেকে বায়তুল মুকাদ্দাসে উপনীত হয়ে সেখান থেকে সপ্তাকাশ এবং আরশে আজিম পৌঁছে আল্লাহর সাথে কথা বলাকেই মেরাজ বলে। রাসূল (সা:)-এর ৫২ বছর বয়সে অর্থাৎ নবুয়তের ১২তম সনে রজব মাসের ২৬ তারিখ দিনগত রাতে মেরাজের আশ্চর্যতম ঘটনাটি সংঘটিত হয়।
শবেমেরাজ আল্লাহর অসীম কুদরত। মেরাজের ঘটনা সম্পর্কে মহান আল্লাহতায়ালা পবিত্র কুরআনের সূরা বনি ইসরাইলের ১ নম্বর আয়াতে ঘোষণা করেন- ‘মহামহিম পরম পবিত্র সত্তা তিনি, যিনি স্বীয় বান্দাকে রাতে ভ্রমণ করিয়েছেন মসজিদে হারাম থেকে মসজিদে আকসা পর্যন্ত। যাতে আমি তাকে দেখিয়ে দেই, এর চারপাশের নিদর্শনগুলো, যা বরকতময়। নিশ্চয়ই তিনি পরম শ্রবণকারী ও দর্শনশীল।’
হাদিস সূত্রে জানা যায়, রজব মাসের ২৬ তারিখ রাতে রাসূল (সা:) এশার নামাজ শেষে হজরত উম্মে হানী (রা:)-এর ঘরে ঘুমন্ত অবস্থায় ছিলেন। এ সময় হজরত জিব্রাইল (আ:) আল্লাহ তায়ালার হুকুমে জান্নাত থেকে বোরাক নামের একটি সাওয়ারি আর অসংখ্য ফেরেশতা নিয়ে রাসূল (সা:)-এর কাছে হাজির হয়ে সালাম দিয়ে বললেন, হুজুর! আপনার প্রতিপালক আপনাকে স্মরণ করেছেন, এ মুহূর্তেই আপনাকে সেখানে যেতে হবে। মুহাম্মদ (সা:) প্রস্তুত হলে জিবরাইল (আ:) রাসূল (সা:)-কে নিয়ে কাবা শরিফের হাতিমে যান। জমজমের পানিতে অজুর পর বোরাক নামক বাহনে জেরুসালেমের বায়তুল মুকাদ্দাসে গিয়ে নামাজ আদায় করেন। সেখানে থেকে প্রথম আকাশে পৌঁছান মহানবী (সা:)। সেখানে হজরত আদম (আ:)-এর সাথে সাক্ষাৎ করেন। এভাবে সাত আকাশ পর্যন্ত প্রতিটি স্তরে সাক্ষাৎ করেন হজরত ঈসা (আ:), হজরত ইয়াহইয়া (আ:), হজরত ইদ্রিস (আঃ), হজরত হারুন (আ:), হজরত মুসা (আ:) এবং হজরত ইব্রাহিম (আ:)-এর সাথে।
সপ্তম আকাশ থেকে হজরত মুহাম্মদ (সা:)-কে বায়তুল মামুর পরিদর্শনে নেয়া হয়, যেখানে প্রতিদিন (সকাল-সন্ধ্যায়) ৭০ হাজার ফেরেশতা তাওয়াফ করেন ও প্রস্থান করেন; তাঁরা দ্বিতীয়বার আর সেখানে আসার সুযোগ পান না। এরপর তিনি সিদরাতুল মুনতাহার কাছে যান। সেখান থেকে রফরফ নামক বিশেষ বাহনে আরশে আজিম যান। এক ধনুক দূরত্ব থেকে আল্লাহর সাথে কথোপকথন হয়। পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে- অতঃপর তিনি নিকটবর্তী হলেন, তাদের মধ্যে ধনুকের দুই মাথার ব্যবধান রইল অথবা আরো নিকটে। তখন আল্লাহ তাঁর বান্দার প্রতি প্রত্যাদেশ করলেন যা করার ছিল।
হাদিসের বর্ণনা মতে, শবেমেরাজে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ করা হয় মহানবী (সা:)-এর উম্মতদের জন্য। এ ছাড়া দেখেছেন অনেক নিদর্শন। দেখেছেন জান্নাতের নেয়ামত ও জাহান্নামের শাস্তি। হাদিসের বিখ্যাত গ্রন্থ বুখারি ও মুসলিমের বর্ণনায় ওঠে আসা কয়েকটি শাস্তির বিবরণ তুলে ধরা হলো- বেনামাজির শাস্তি : বড় পাথর দিয়ে তার মাথায় আঘাত করা হচ্ছে, আঘাতে মাথা ছিন্নভিন্ন হয়ে যাচ্ছে, পুনরায় ভালো হয়ে যাচ্ছে, আবার আঘাত করা হচ্ছে। জাকাত না দেয়ার শাস্তি : তাদের সামনে ও পেছনে পাওনাদাররা থাকবে। তারা পশুর মতো চরবে আর নোংরা আবর্জনা ময়লা ও পুঁজ এবং কাঁটাযুক্ত আঠালো বিষাক্ত ফল খাবে, জাহান্নামের উত্তপ্ত পাথর ভক্ষণ করবে। চোগলখোরের শাস্তি : তাদের পার্শ্বদেশ হতে গোশত কেটে তাদের খাওয়ানো হচ্ছে; আর বলা হচ্ছে, যেভাবে তোমার ভাইয়ের গোশত খেতে, সেভাবে এটা ভক্ষণ করো। গিবতকারীদের শাস্তি : তাদের অগ্নিময় লোহার নখর দিয়ে তারা তাদের চেহারা ও বক্ষ বিদীর্ণ করছে। এসব দেখে রাসূল (সা:) বললেন- হে জিবরিল আলাইহিস সালাম! এরা কারা? তিনি (জিবরিল) বললেন, এরা হলো সেসব লোক যারা পশ্চাতে মানুষের গোশত খেত (আড়ালে সমালোচনা করত)। সুদখোরের শাস্তি : সুদখোরদের বড় বড় পেট, যার কারণে তারা তাদের অবস্থান থেকে নড়াচড়া করতে পারছে না। তাদের সাথে রয়েছে ফেরাউন সম্প্রদায়, তাদেরকে অগ্নিতে প্রবিষ্ট করানো হচ্ছে। ব্যভিচারী নারী ও পুরুষের শাস্তি : জেনাকার বদকার নারী, যারা ব্যভিচার করেছে এবং ভ্রƒণ ও সন্তান হত্যা করেছে, তাদের পায়ে আংটা লাগিয়ে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে; তারা আর্তচিৎকার করছে। এক সম্প্রদায় তাদের সামনে একটি উত্তম পাত্রে উপাদেয় তাজা ভুনা গোশত এবং অন্য নোংরা একটি পাত্রে পচা মাংস। তারা উত্তম পাত্রের উন্নত তাজা সুস্বাদু গোশত রেখে নোংরা পাত্রের পচা মাংস ভক্ষণ করছে। রাসূল (সা:) বললেন, হে জিবরাইল! (আ:) এরা কারা? তিনি বললেন, এরা হলো ওই সব পুরুষ যারা স্বীয় বৈধ স্ত্রী রেখে অন্য নারীর কাছে গমন করেছে এবং ওই সব নারী যারা স্বীয় বৈধ স্বামী রেখে পরপুরুষগামিনী হয়েছে।
মেরাজ শেষে পৃথিবীতে ফিরে রাসূল (সা:) পুরো ঘটনা হজরত আবু বকর (রা:)-এর কাছে বর্ণনা করেন। তিনি নিঃসংশয়ে তা বিশ্বাস করেন। রাসূল (সা:) তাকে সিদ্দিকী বা বিশ্বাসী খেতাব দেন। মক্কার কাফেররা রাসূলের মেরাজের ঘটনাকে অবিশ্বাস করে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন : শবেমেরাজ উদযাপন উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে আজ বাদ জোহর ‘পবিত্র শবেমেরাজ’র ‘গুরুত্ব ও তাৎপর্য’ শীর্ষক আলোচনা সভা, দোয়া ও মুনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। নয়া দিগন্ত

0 comment
0 FacebookTwitterPinterestEmail

সিইসি বলেন, ‘রাজনৈতিক নেতৃত্বকে আমরা সহায়তা করব। রাজনৈতিক নেতৃত্ব যদি রাজনৈতিক নেতৃত্বকে সহায়তা না করে, পলিটিক্যাল লিডারশিপে যদি ন্যূনতম সমঝোতা না থাকে, আমি তো তাদের মুরব্বি হতে পারব না। তাঁরা আমাদের চেয়ে অনেক বেশি জ্ঞানী, অনেক বেশি অভিজ্ঞ।’

হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘আমরা অনুনয়-বিনয় করব, আপনারা নিজেদের মধ্যে সমঝোতা সৃষ্টি করেন। একটা চুক্তিবদ্ধ হন যে আপনারা নির্বাচনটা সুন্দরভাবে পরিচালনা করবেন, ওখানে সহিংসতা করবেন না। কেউ কাউকে বাধা দেবেন না।’

সিইসি আরও বলেন, তাঁরা আন্তরিকতা, নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন। সবার অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে নির্বাচন করে গণতন্ত্রকে সুসংহত করতে চেষ্টা করবেন। সাংবিধানিক শপথে থেকে সততা-নিষ্ঠার সঙ্গে নির্বাচন পরিচালনায় তাঁরা সচেষ্ট থাকবেন।

0 comment
0 FacebookTwitterPinterestEmail

ভ্লাদিমির মেদিনস্কি আরও বলেন, ‘আমরা সারা রাত জেগে তাদের অপেক্ষায় ছিলাম। দুর্ভাগ্যবশত রাতভর তারা একাধিকবার তাদের আসার সময় পরিবর্তন করেছে।’

এদিকে আল-জাজিরার খবরে বলা হয়, ইউক্রেনের প্রতিনিধিদলটিও আলোচনা করতে ইউক্রেন-বেলারুশ সীমান্তে পৌঁছেছে।

কিয়েভ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাদের প্রতিনিধিদলে প্রতিরক্ষামন্ত্রী অলেক্সি রেজনিকভ, প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা মাইখাইলো পোডোলিয়াকসহ অনেকেই রয়েছেন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আলোচনার মূল বিষয়বস্তু হবে তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতি ও ইউক্রেন থেকে রাশিয়ার সেনা প্রত্যাহার।

গত সপ্তাহে ইউক্রেনে রুশ অভিযান শুরুর পর এটি দুই পক্ষের মধ্যে প্রথম আলোচনা। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কোর ফোনালাপের পর এ সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে দাবি করেছে ইউক্রেন।

ইউক্রেন সরকারের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ইউক্রেনের একটি প্রতিনিধিদল প্রিপিয়াত নদীর কাছে ইউক্রেনীয়-বেলারুশিয়ান সীমান্তে রাশিয়ার প্রতিনিধিদলের সঙ্গে শর্তহীন বৈঠকে বসবে বলে আমরা একমত হয়েছি।’

তবে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি বেলারুশে আলোচনায় বসতে রাজি হননি। তাঁর ভাষ্যমতে, রাশিয়া যদি বেলারুশ ভূখণ্ড থেকে ইউক্রেনে হামলা না চালাত, তাহলে দেশটিতে আলোচনা নিয়ে আপত্তি করতেন না।

0 comment
0 FacebookTwitterPinterestEmail